× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম

বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্লাস হবে অনলাইনে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পুরোনো ছবি

বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পুরোনো ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় যানবাহনের চাপ কমাতে এবং জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম বন্ধ করে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা কৌশল গ্রহণ করেছে। ফিলিপাইনে তেল সংকট মোকবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে; কোথাও কোথাও মানুষ হেঁটে কর্মস্থলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। পাকিস্তানে অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ৩২২ রুপিতে পৌঁছেছে। ভারতে বিভিন্ন প্রদেশে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে দামও বেড়েছে।

জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বাংলাদেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও অনেককেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। অনেক জায়গায় তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও দ্রুত পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু না করলে সংকট আরও গভীর হতে পারে। একই সঙ্গে অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সঙ্গে সঙ্গে নগর জীবনের স্বাভাবিক গতি ফেরার কথা থাকলেও বিদ্যমান জ্বালানি সংকট সেই প্রত্যাশাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দিচ্ছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি যানজট এড়ানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইনে ক্লাস চালুর পরামর্শও দিচ্ছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হলে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কিছুটা হলেও বাড়বে। যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়টি যেহেতু আমাদের অজানা, তাই সব খাতেই কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায় সে বিষয়ে পরিকল্পনা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক দেশই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অনলাইন ক্লাস চালু করে। তবে কোভিডের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি আমাদের দেশে এটি খুব একটা কার্যকর নয় এবং ওই সময়ে শিক্ষার্থীদের একটি বড় শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কী করা যেতে পারে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের উচিত অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে এখনই একটি পরিকল্পনা তৈরি করা। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময় কিছুটা পরিবর্তন করা, অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত পদ্ধতিতে পাঠদানের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা যেতে পারে।’

Link copied!