বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল-কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন এবং পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসব ভাতার বিল দ্রুত সাবমিট করার তাগিদ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মঙ্গলবার (১২ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ তাগিদ দেওয়া হয়। এই চিঠি সব স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল অনলাইনে দাখিল করতে ব্যর্থ হলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলের ঈদুল আজহার (মে-২০২৬) উৎসব ভাতা বিল অনলাইনে দাখিল করার জন্য ৭ মে-এর মারফত প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এই চিঠিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে ১৩ মে’র মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলের ঈদুল আজহার (মে-২০২৬) উৎসব ভাতা বিল ও বেতন অনলাইনে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।
মাউশি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে আলাদা আলাদাভাবে বিল দাখিল করবেন। যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ করেন বা পদত্যাগ করেন, তবে বিধি মোতাবেক তাদের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে।
অন্যদিকে, সাময়িক বরখাস্ত, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে বেতন কর্তন বা বন্ধ করার প্রয়োজন থাকলে, বিল সাবমিট অপশনে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
আর বকেয়া পাওনা রয়েছে কিন্তু চলতি মাসে নিয়মিত বেতন প্রাপ্য নন— এমন শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ‘আংশিক পেমেন্ট’ অপশনটি ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভুল তথ্যের কারণে কেউ অতিরিক্ত অর্থ নিলে, তা নির্ধারিত কোডে (১০৯০১০১১০১৪৩৫-১৪৪১২০২) ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের মূল কপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে। বর্তমানে শুধুমাত্র আইবাস সিস্টেমে যাচাই করা বা ভ্যালিড জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে দৃশ্যমান হচ্ছে।
যাদের তথ্যে এখনো ভুল রয়েছে, তা সংশোধনের পর পরবর্তীতে বিল সাবমিটের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।


