× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম

রাবিপ্রবিতে প্রথমবার জাতীয় ট্যুরিজম সম্মেলন

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম

রাবিপ্রবিতে প্রথমবার জাতীয় ট্যুরিজম সম্মেলন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাবিপ্রবিতে প্রথমবার জাতীয় ট্যুরিজম সম্মেলন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাঙামাটির পাহাড়, হ্রদ এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনশিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যেই রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) প্রথমবারের মতো দুই দিনব্যাপী জাতীয় ট্যুরিজম সম্মেলন শুরু হয়েছে।

সম্মেলনে আলোচিত হচ্ছে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন কৌশল, আঞ্চলিক পর্যটন সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং নতুন পর্যটন গন্তব্যের বিকাশ। এটি রাঙামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটনকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার রূপরেখা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে দেশের শীর্ষ পর্যটন বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন সেশনে পর্যটন খাতের বর্তমান সংকট, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর আলোচনা হয়েছে।

সম্মেলনে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন কৌশল হিসেবে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থানের বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক নীতিমালার মাধ্যমে রাঙামাটিকে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরা সম্ভব।

আলোচনায় আঞ্চলিক পর্যটন সম্ভাবনাও গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ, পাহাড়ি জনপদ, নৈসর্গিক বনাঞ্চল এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে যে বিপুল পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে, তা সঠিক ব্র্যান্ডিং ও প্রচারের মাধ্যমে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকের কাছে আরও আকর্ষণীয় করা সম্ভব।

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নও সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি। বক্তারা বলেন, পাহাড় এবং প্রকৃতি রক্ষা না করে পর্যটনের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হোসাইন উদ্দিন শেখর এবং রাবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. আতিয়ার রহমান।

এই আয়োজনে মূল সহযোগী হিসেবে ছিল বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। প্লেনারি সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা অধ্যাপকরা দেশের পর্যটনশিল্পের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং টেকসই নীতিমালা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশের ৭০টিরও বেশি পর্যটন গবেষক তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করছেন। গবেষণাপত্রগুলোতে রাঙামাটি ও পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নতুন গন্তব্য সৃষ্টির বাস্তবসম্মত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!