× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম

চোখ চুলকালে যা করবেন

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চুলকানি চোখ, ডাক্তারি ভাষায় অকুলার প্রুরিটাস, হলো এক বা উভয় চোখে জ্বালা এবং চুলকানির অনুভূতি। এটি সাধারণত অ্যালার্জি, শুষ্কতা, বা চোখের পাতার প্রদাহের কারণে হয়। প্রায়শই এটি গুরুতর নয় এবং ঘরে বসে বা সাধারণ ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে কখনো কখনো এটি সংক্রমণ বা অন্য অন্তর্নিহিত রোগের চিহ্ন হতে পারে, যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

লক্ষণ : চুলকানি চোখ সাধারণত নিম্নলিখিত উপসর্গের সঙ্গে দেখা দেয়: চোখে জল বা অশ্রু তৈরি হওয়া, চোখে জ্বালা বা অস্বস্তি, পরিষ্কার বা ঘন স্রাব, লাল চোখ, নাক খোসা বা হাঁচি, সবুজ বা হলুদ পুঁজ স্রাব, এবং ঝাপসা বা অস্পষ্ট দৃষ্টি।

কারণ : চোখ চুলকানোর সাধারণ কারণগুলো হলো অ্যালার্জি, শুষ্ক চোখের সিন্ড্রোম, চোখের সঙ্গে বিরক্তিকর পদার্থের সংস্পর্শ, ব্লেফারাইটিস, কনজেক্টিভাইটিস বা সংক্রমণ, এবং কর্নিয়াল আলসার বা অন্যান্য চর্মরোগ। প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেন।

নির্ণয় : চোখ চুলকানির নির্ণয়ের জন্য ডাক্তার চোখের ঘনিষ্ঠ পরীক্ষা করতে পারেন, এলার্জি পরীক্ষা করতে পারেন, এবং প্রয়োজনে স্রাব বা পুঁজের নমুনা মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করেন।

চিকিৎসা : চুলকানি চোখের চিকিৎসা মূলত কারণভিত্তিক। শুষ্কতার কারণে হলে কৃত্রিম অশ্রু ব্যবহার করা যায়। অ্যালার্জির কারণে অ্যান্টিহিস্টামিন বা স্টেবিলাইজার ওষুধ কার্যকর। চোখের কোল্ড কম্প্রেস, হাইজিন বজায় রাখা, কন্টাক্ট লেন্স সঠিকভাবে ব্যবহার, এবং চোখের বিশ্রামও উপশমে সাহায্য করে। গুরুতর ক্ষেত্রে ডাক্তার স্টেরয়েড বা প্রেসক্রিপশন ড্রপ দিতে পারেন।

ঘরোয়া প্রতিকার : চোখ চুলকানো কমানোর জন্য ঠান্ডা ওয়াশক্লথ বা বরফের প্যাক ব্যবহার, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ ধোয়া, হিউমিডিফায়ার ব্যবহার, এবং চোখ ঘষা এড়ানো সহ অন্যান্য যত্ন নেওয়া যায়।

ডাক্তার দেখার নির্দেশনা : নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখানো জরুরি- চোখে ব্যথা বা ফোলা, ঘন স্রাব বা চোখের পাতা বন্ধ হওয়া, ঝাপসা বা পরিবর্তিত দৃষ্টি, আলোতে হ্যালো দেখা, বা লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হওয়া।

প্রতিরোধ : চোখ স্পর্শের আগে হাত ধোয়া, অ্যালার্জি ঋতুতে চোখ স্পর্শ এড়ানো, রাতের মেকআপ মুছে ফেলা, কন্টাক্ট লেন্স সঠিকভাবে ব্যবহার, এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে চোখ চুলকানো কমানো যায়।

চুলকানি চোখ সাধারণত অ্যালার্জি বা বিরক্তিকর পদার্থের সংস্পর্শে হয়ে থাকে। প্রায়ই এটি নিজেই কমে যায়। তবে যদি উপসর্গ অব্যাহত থাকে বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয়, চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Link copied!