× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:০৬ এএম

গর্ভবতী নারীর নিরাপদ রোজা ও স্বাস্থ্য সতর্কতা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১১:০৬ এএম

গর্ভবতী নারীর রোজা ও স্বাস্থ্য সতর্কতা। ছবি : সংগৃহীত

গর্ভবতী নারীর রোজা ও স্বাস্থ্য সতর্কতা। ছবি : সংগৃহীত

গর্ভবতী মায়েদের জন্য রোজা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। ইসলামি শরিয়তে গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য বিশেষ শিথিলতা থাকলেও, অনেক মা শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী রোজা রাখতে চান। তবে এই সময়ে নিজের এবং অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা সম্ভব, যদি মায়ের কোনো গুরুতর শারীরিক জটিলতা না থাকে। তবে এই সময় দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা বা ক্যালরির ঘাটতি হতে পারে। তাই নিরাপদ রোজার জন্য কিছু বিষয় অনুসরণ করা জরুরি। 

 

১. সেহরি ও ইফতারে খাদ্য নির্বাচন
গর্ভবতী মায়ের রোজা রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা।
জটিল শর্করা: সেহরিতে ওটস, লাল চালের ভাত বা আটার রুটি খান। এগুলো ধীরে ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘক্ষণ শক্তি যোগায়।
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: ইফতার ও সেহরিতে মাছ, মাংস, ডিম এবং ডাল পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখুন। এটি ভ্রূণের গঠনে সাহায্য করে।
আঁশযুক্ত খাবার: কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খান।

২. পানিশূন্যতা রোধে করণীয়
দীর্ঘ সময় পানি পান না করায় প্রস্রাবে সংক্রমণ বা পানিশূন্যতা হতে পারে।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
ইফতারে বেশি মিষ্টি বা কৃত্রিম রঙের শরবতের বদলে ডাব, তাজা ফলের রস বা লেবুর শরবত পান করুন।
কফি বা চা এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীরকে আরও দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে।

৩. বিশ্রাম ও জীবনযাত্রা
রোজার সময় রোদে বা অতিরিক্ত গরমে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।
দুপুরে অন্তত ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নিন।
অতিরিক্ত ভারী কাজ বা ব্যায়াম করবেন না।

৪. গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা (কখন রোজা ভাঙতে হবে)
যদি কোনো গর্ভবতী মা রোজা থাকা অবস্থায় নিচের লক্ষণগুলো অনুভব করেন, তবে দ্রুত রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে:
অতিরিক্ত মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর উপক্রম হওয়া।
প্রবল মাথাব্যথা বা জ্বর।
শিশুর নড়াচড়া আগের চেয়ে কমে যাওয়া।
তীব্র পিপাসা বা প্রস্রাব গাঢ় হলুদ হওয়া।
তলপেটে ব্যথা বা বমি বমি ভাব।

 

৫. চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ
রোজা শুরু করার আগেই আপনার গাইনোকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তস্বল্পতা আছে, তাদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!