× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

ঋতু পরিবর্তনের সাথে অ্যালার্জি কেন হয় ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

অ্যালার্জি কেন হয় ও নিয়ন্ত্রণের উপায়।  ছবি : সংগৃহীত

অ্যালার্জি কেন হয় ও নিয়ন্ত্রণের উপায়। ছবি : সংগৃহীত

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের চারপাশে প্রাকৃতিক পরিবেশেও পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে বসন্ত বা বর্ষার শুরুতে অনেকেরই নাক দিয়ে জল পড়া, অনবরত হাঁচি বা চোখ চুলকানোর মতো সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’ বা মৌসুমি অ্যালার্জি। কেন এই সমস্যা হয় এবং কীভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করবেন, তা নিয়ে আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।

মৌসুমি অ্যালার্জি কেন হয়?
আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Immune System) যখন পরিবেশের কোনো ক্ষতিকর নয় এমন উপাদানকে ‘শত্রু’ মনে করে আক্রমণ করে, তখনই অ্যালার্জি দেখা দেয়।

পরাগরেণু (Pollen): এটি মৌসুমি অ্যালার্জির প্রধান কারণ। ফুল, ঘাস বা গাছের সূক্ষ্ম পরাগরেণু বাতাসে ভেসে বেড়ায় যা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে অ্যালার্জি শুরু হয়।

ছত্রাক বা মোল্ড: বর্ষাকালে বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ছত্রাক দ্রুত বংশবিস্তার করে, যার স্পোর বাতাসে মিশে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে।

ধূলিকণা ও বায়ুদূষণ: ঋতু পরিবর্তনের সময় বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়, যা সংবেদনশীল মানুষের জন্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রধান লক্ষণসমূহ
১. ঘনঘন হাঁচি এবং নাক চুলকানো।
২. নাক দিয়ে জল পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৩. চোখ লাল হওয়া, জল পড়া বা চুলকানি।
৪. গলা খুশখুশ করা বা কাশি।

কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? (স্বাস্থ্য টিপস)
মৌসুমি অ্যালার্জি পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হলেও কিছু নিয়ম মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:

বাইরে থেকে ফিরে হাত-মুখ ধোয়া: বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর সাথে সাথে হাত-মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং সম্ভব হলে পোশাক বদলে নিন। এতে শরীরে লেগে থাকা পরাগরেণু দূর হবে।

মাস্ক ব্যবহার করুন: বাতাসে ধুলোবালি বা পরাগরেণুর পরিমাণ বেশি থাকলে বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।

ঘরের জানলা বন্ধ রাখা: দিনের যে সময়ে বাতাসে পরাগরেণু বেশি থাকে (সাধারণত ভোরবেলা এবং বিকেলে), সে সময় ঘরের জানলা বন্ধ রাখার চেষ্টা করুন।

স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এড়িয়ে চলা: ঘরে যেন ছত্রাক না জন্মে সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাথরুম বা রান্নাঘর পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।

প্রচুর জল পান করা: শরীর হাইড্রেটেড থাকলে মিউকাস পাতলা থাকে, যা নাক বন্ধ হওয়ার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: ভিটামিন-সি যুক্ত ফলমূল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন?
যদি ঘরোয়া উপায়ে বা সাধারণ অ্যান্টি-হিস্টামিন ওষুধে কাজ না হয়, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় বা লক্ষণগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে মৌসুমি অ্যালার্জি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

মৌসুমি অ্যালার্জি সাময়িকভাবে অস্বস্তিকর হলেও সচেতনতাই এর প্রধান প্রতিকার। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন আপনাকে এই সমস্যা থেকে দূরে রাখতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!