× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৭:১০ এএম

বাংলাদেশে হামের উচ্চ ঝুঁকি, উদ্বেগে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৭:১০ এএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি দেশের পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তবে আগামী দুই–এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ২৬৩ জন। রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও বস্তিগুলোতে রোগীর সংখ্যা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে ডেমরা, যাত্রাবাড়ি, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর ও তেজগাঁও শিল্প এলাকা উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৩ হাজার ৭৪৭, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ হাজার ৫১৪ এবং খুলনা বিভাগে ১ হাজার ৫৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের ৯১ শতাংশের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ও হামের উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১৫ জন। মৃতদের মধ্যে তিনজন সরাসরি হামে এবং চারজন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৯৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, যা মোট জেলার প্রায় ৯১ শতাংশ। আটটি বিভাগেই রোগী শনাক্ত হওয়ায় সংক্রমণ এখন জাতীয়ভাবে বিস্তৃত আকার নিয়েছে। জানুয়ারি থেকেই দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সন্দেহভাজন ১৬৬ শিশুর মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগই দুই বছরের কম বয়সী, যারা টিকার আওতায় আসেনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, চার বছর পর বুস্টার ডোজ বা এক ডোজ টিকার জন্য দেশে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হলেও সর্বশেষ ২০২০ সালের পর আর তা নিয়মিত হয়নি। ২০২৪ সালে এ কার্যক্রম না হওয়ায় টিকাদানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা বর্তমান প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!