× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনাপ্রধান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

ইকবাল করিম ভূঁইয়া ও জিয়াউল আহসান। ছবি : সংগৃহীত

ইকবাল করিম ভূঁইয়া ও জিয়াউল আহসান। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের ১৭ বছর শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরু আজ। এই মামলায় তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। 

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হবে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, শুনানির শুরুতেই প্রসিকিউশন মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) প্রদান করবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনা প্রথম অভিযোগটি ২০১১ সালের ১১ জুলাইয়ের। ওই দিন রাতে গাজীপুরের পুবাইলে তার সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগটি ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ের। এ সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদের মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় আনা হয়েছে তার ওপর। তৃতীয় অভিযোগটিও একই ধরনের, যেখানে আরও ৫০ জনকে হত্যার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!