× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

কনকনে শীতে কখন বিছানা ছাড়বেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় নিয়ে অনেকের মধ্যেই দ্বিধা কাজ করে।

কনকনে ঠান্ডা, কুয়াশা আর ভোরের শীতল বাতাস শরীরকে বিছানা ছাড়তে অনীহা তৈরি করে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের সময় ঘুম থেকে ওঠার সঠিক সময় বেছে নেওয়া শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কনকনে শীতের সকালে হঠাৎ করে বিছানা ছাড়লে শরীর ঠান্ডার ধাক্কা খেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে ভোর ৫টা বা তার আগেই ঘুম থেকে ওঠা সবার জন্য উপযোগী নয়।  বিশেষ করে সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে উঠলে ঠান্ডাজনিত সমস্যা বাড়তে পারে। 

এ সময় শরীরের তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে, রক্তচাপ ওঠানামা করতে পারে এবং বয়স্ক বা অসুস্থদের ক্ষেত্রে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট কিংবা হৃদ্‌রোগজনিত ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। তাই শীতকালে সূর্য ওঠার কাছাকাছি বা সূর্য ওঠার কিছু পর ঘুম থেকে ওঠাকে তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করছেন তারা।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রতিদিন অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করে সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘুম থেকে ওঠা শীতকালে উপযোগী হতে পারে। এতে শরীর ধীরে ধীরে উষ্ণ পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়। ঘুম থেকে উঠেই ঠান্ডা পানিতে মুখ ধোয়া বা গোসল না করে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময়সূচির কারণে অনেক সময় ভোরে উঠতেই হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘুম থেকে ওঠার আগে কিছুক্ষণ বিছানায় বসে থাকা, হালকা স্ট্রেচিং করা এবং গরম কাপড় পরে নেওয়া শরীরকে ঠান্ডার ধাক্কা থেকে রক্ষা করতে সহায়ক হতে পারে।

সব মিলিয়ে, শীতের সময় ঘুম থেকে ওঠার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো একক সময় সবার জন্য প্রযোজ্য না হলেও, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা, খুব ভোরের তীব্র ঠান্ডা এড়িয়ে চলা এবং ধীরে ধীরে দিনের কাজে প্রবেশ করাই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!