ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পলাতক আসামিদের নিয়ে ইসির নতুন সিদ্ধান্ত

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ১১:১৮ এএম
নির্বাচন কমিশন। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পলাতক বা ফেরারি আসামিরা প্রার্থী হতে পারবে না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) নতুন বিধান অনুযায়ী, যিনি আইনের চোখে ফেরারি, তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন না। 

এই বিভ্রান্তি দূর করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিশেষ পরিপত্র জারি করে ‘পলাতক’ ও ‘অভিযুক্ত’ আসামির সংজ্ঞা স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে কারান্তরীণ ও জামিনপ্রাপ্ত প্রার্থীদের হলফনামা দাখিলের নিয়মও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিপত্রটি অনুসরণ করার জন্য ইতোমধ্যেই সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে মনোনয়ন ফরমসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রার্থীর মনোনয়ন ফরমের কতিপয় বিষয়ে নিম্নরূপভাবে স্পষ্টীকরণ করা হলো—

১. মনোনয়নপত্রের সংযুক্তি-১ এ বর্ণিত প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত হলফনামায় উল্লিখিত ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জামিনে মুক্তদের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক জামিন লাভের সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল ঐচ্ছিক মর্মে বিবেচিত হবে। তবে কারা অন্তরীণদের ক্ষেত্রে প্রদেয় হলফনামা জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।

২. মনোনয়নপত্রের সংযুক্তি-১ এ বর্ণিত প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত হলফনামার অনুচ্ছেদ ৩(গ) এর অভিযুক্ত বলতে ওই আসামিকে বোঝাবে যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক অভিযোগ গঠিত হয়।

৩. মনোনয়ন ফরমের তৃতীয় অংশের ৪নং অনুচ্ছেদে নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখের ক্ষেত্রে প্রার্থী অথবা প্রার্থীর নিয়োজিত নির্বাচনি এজেন্টের  অ্যাকাউন্টকে বোঝাবে।

৪. পলাতক আসামি বলতে ওই আসামিকে বোঝাবে যিনি জামিন পাওয়ার পর পলাতক হন অথবা যিনি প্রথম থেকেই অনুপস্থিত থাকেন এবং তৎপর আদালত কর্তৃক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক থাকেন।