× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০১:০৭ এএম

সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০১:০৭ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশে জারি করা এক নোটিশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।

এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এলপিজি ব্যবসায়ীরা তাদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। সে সময় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন তারা। পরে সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সমন্বয় করেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধের দাবিও জানানো হয়।

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, আগামীকাল সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর তিনটায় বিইআরসির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দাবি মেনে নেওয়া হলে বিক্রি আবার শুরু হবে, অন্যথায় বন্ধই থাকবে।

উল্লেখ্য, প্রতি মাসে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ গত ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী সমিতির লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, এলপিজির সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে দাম বাড়ানো নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, যার ফলে অনেক পরিবেশক ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সমিতির দাবি, জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে আমদানি সংকট সমাধান করাই ছিল কার্যকর পথ। এর পরিবর্তে অভিযান চালিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে। তারা পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করার দাবি জানিয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!