দেশের মসজিদগুলোর জনবল কাঠামো শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এবার থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের অধীনে এবং মডেল মসজিদে কর্মরত ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা জাতীয় পে-স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি গেজেটে তাদের বিভিন্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সরকার পরিচালিত মসজিদ এবং নবনির্মিত ৫৬০টি মডেল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন খাদেমরা সরাসরি সরকারি তহবিল বা ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে বেতন পাবেন।
তবে বেসরকারি বা স্থানীয় মসজিদগুলোর ক্ষেত্রে বেতন প্রদানের দায়িত্ব আগের মতোই সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটির ওপর থাকবে। এই সিদ্ধান্ত শুধু সরকারি অর্থায়নে নির্মিত, সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বা ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত মসজিদগুলোর জন্য কার্যকর হবে।
গেজেট অনুযায়ী, নির্ধারিত গ্রেডগুলো হলো-
সিনিয়র পেশ ইমাম : পঞ্চম গ্রেড
পেশ ইমাম : ষষ্ঠ গ্রেড
ইমাম : নবম গ্রেড
প্রধান মুয়াজ্জিন : দশম গ্রেড
সাধারণ মুয়াজ্জিন : একাদশ গ্রেড
প্রধান খাদেম : পঞ্চদশ গ্রেড
সাধারণ খাদেম : ষোড়শ গ্রেড
অন্যান্য কর্মী (নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী) : বিংশ গ্রেড

মডেল মসজিদের পদভিত্তিক আনুমানিক মাসিক বেতনের হিসাব

৫৬০টি মডেল মসজিদের জন্য নির্ধারিত জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী, বিভিন্ন পদের প্রারম্ভিক মূল বেতন (বেসিক সেলারি) এবং আনুমানিক মোট বেতনের (গ্রস সেলারি) একটি হিসাব নিচে দেওয়া হলো। সরকারি কর্মচারী হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা মূল বেতনের পাশাপাশি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন