আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক, ইউটিউবসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম) নির্বাচনি প্রচারণায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের যথাযথ আচরণ নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, বিষয়টি নিয়ে একটি চিঠি সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী:
সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে প্রচারণা: কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্ট বা দলের পক্ষ থেকে কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে।
তৃতীয় পক্ষের প্রচারণা: প্রার্থীর পক্ষ থেকে অন্য কেউ যদি সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালায়, তবে অবশ্যই প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট বা দলকে প্রচার শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল ও অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।
সাথে নির্বাচনি ব্যয়সীমা সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো ধরনের বিজ্ঞাপন, কনটেন্ট তৈরি, বুস্টিং বা স্পন্সরশিপের ব্যয় নির্বাচনি ব্যয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। সেই ব্যয়সহ সমস্ত তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।
ইসি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাছে এই বিধি যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কিত তথ্য ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় প্রেরণ করবেন।
এবারের নির্দেশনার লক্ষ্য, নির্বাচনের সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা স্বচ্ছ ও আইনসঙ্গতভাবে পরিচালিত হওয়া নিশ্চিত করা।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন