× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

সেনাসদস্যরা। ছবি : সংগৃহীত

সেনাসদস্যরা। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবার এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর আগের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৪০–৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় দায়িত্ব পালন করতেন।

তবে এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনার ভেতর পর্যন্ত সেনাদের টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত এবং ভোটে আস্থা ফিরিয়ে আনতেই নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন কার্যক্রম ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তান রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সেনাসদরের সামরিক অপারেশন্স পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য নিয়োজিত করেছিলাম। এবার এক লাখ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। প্রধান পার্থক্য হচ্ছে এবার ভোটকেন্দ্রের ভেতর পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত নিশ্চিত করতে এই বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেনারেল মনজুর হোসেন আরও জানান, প্রয়োজনীয় যানবাহনের অভাবে আমরা অসামরিক প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। যদি সম্ভব না হয়, গাড়ি ভাড়া করেও সেনাসদস্যরা টহল দিতে সক্ষম হচ্ছে। তারা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য। এই প্রস্তুতি ২০ জানুয়ারি থেকে জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য আগেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য ১০ জানুয়ারি মোতায়েন সংখ্যা ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজারে উন্নীত করা হয় এবং ২০ জানুয়ারি এক লাখে পৌঁছে।

সেনাবাহিনী ছাড়াও নৌবাহিনী ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। সারা দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২ জেলায় ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরে ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে টহল, যৌথ অভিযান ও চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। ফলে অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

তিনি জানান, গত ১৪ দিনে প্রায় দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই বিদেশি পিস্তল। সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র, ২ লাখ ৯১ হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে এবং ২২ হাজার ২৮২ জন সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীকে আটক করেছে।

নির্বাচনে প্রযুক্তি ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা অ্যাপ ব্যবহার হচ্ছে। পুলিশ বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে। ড্রোনসহ অন্যান্য প্রযুক্তি দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবহার করা হবে।

যদি কোনো দল বা গোষ্ঠী ভোটকেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করে, জেনারেল মনজুর হোসেন বলেন, আমরা সর্বোচ্চসংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছি যাতে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার এখনো চলমান প্রক্রিয়া।

সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়েও তিনি বলেন, মিথ্যা তথ্য দ্রুত প্রতিরোধ করতে সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে সহযোগিতা চেয়েছি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় সেল তৈরি করা হয়েছে। সেনা মোতায়েনের সময়সীমা সরকারের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে।

Link copied!