× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

কখন-কীভাবে গণনা হবে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভোট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

সংসদ নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

সংসদ নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবেন সরকারি চাকরিজীবী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং আনসার সদস্যরা। এরা সবাই এবার ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে। তবে তাদের ভোট কখন-কীভাবে গণনা করা হবে তা নিয়েই প্রশ্ন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, পোস্টাল ভোট গণনার স্থান নির্ধারণ করে দেবেন সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, ‘পোস্টাল ভোটের জন্য প্রতিটি সংসদীয় আসনে একজন করে মোট ৩০০ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ভোট গণনার সময় রাজনৈতিক দল মনোনীত একজন করে পোলিং এজেন্ট উপস্থিত থাকতে পারবেন। তাদের উপস্থিতিতেই পোস্টাল ভোটের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে পোস্টাল ভোট গণনায় সব বিধিবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।’

ইসি সূত্র জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সারা দেশে পোস্টাল ভোট গণনা শুরু হবে। পোস্টাল ভোটের গোপনীয়তা সর্বোচ্চভাবে রক্ষা করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া বিএনসিসির তদারকিতে থাকবে এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। কারণ কোনো ব্যক্তি, কর্মকর্তা বা সংস্থার পক্ষে ভোটারের পরিচয়ের সঙ্গে ভোট মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অধীন পোলিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তারা গণনার কাজ সম্পন্ন করবেন। গণনার সময় প্রতিটি প্রার্থীর জন্য একজন করে পোলিং এজেন্ট উপস্থিত থাকতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। পোলিং এজেন্টদের পরিচয় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর অনুমোদিত হতে হবে। তারা কোনো মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবেন না।

এ প্রসঙ্গে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট গণনার পুরো প্রক্রিয়াই এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে কোনো অবস্থায়ই ভোটারের পরিচয়ের সঙ্গে তার ভোট মিলিয়ে দেখার সুযোগ না থাকে।’

তিনি বলেন, ‘গণনার সময় প্রথমে প্রতিটি খাম থেকে অঙ্গীকারনামা (ঘোষণাপত্র) ও ব্যালট আলাদা করা হবে। যেসব অঙ্গীকারনামায় ভোটারের স্বাক্ষর পাওয়া যাবে, সেগুলো এক পাশে রাখা হবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যালট বৈধ হিসেবে গণনার জন্য সংরক্ষণ করা হবে।’

তিনি আরও জানান, বৈধ ব্যালটগুলো পরে খোলা হয়। খাম খুললে ভেতরে থাকা পৃথক রঙের ব্যালট বের হয়, একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং অন্যটি গণভোটের। রং অনুযায়ী ব্যালটগুলো আলাদা করা হয়। এ পর্যায়ে এসে অঙ্গীকারনামা, খাম ও ব্যালট পুরোপুরি আলাদা হয়ে যায়। ফলে পরে এগুলো আবার একসঙ্গে মিলিয়ে দেখার বা কোনোভাবে ‘ইন্টিগ্রেট’ করার প্রশ্নই ওঠে না।

তিনি বলেন, ‘ধরা যাক ৫০টি ব্যালট যাচাই করা হলো। ৫০টি ব্যালট কোথা থেকে এসেছে বা কোন ভোটারের ব্যালট, তা পরে আর শনাক্ত করার কোনো উপায় থাকে না। ভোট গণনার সময় নিরাপত্তা বাহিনী উপস্থিত থাকবে এবং পুরো প্রক্রিয়া পোলিং এজেন্টদের সামনে সম্পন্ন হবে।’

পোস্টাল ব্যালট বক্সগুলো আগেই পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে সিলগালা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গণনার সময় বক্সগুলো পোলিং এজেন্টদের সামনেই খোলা হবে। পুরো প্রক্রিয়া ইসির বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। কোথাও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছে ইসি।

Link copied!