× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম

একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। একুশের চেতনার পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া বাণীতে তিনি বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ‘মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ অনেকে। তাঁদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান রচিত হয়।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছে।

একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা,-বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এই চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এ অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা শহীদ, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইসহ দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

সর্বশেষে তিনি বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান এবং দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি সকল ভাষা শহীদের মাগফিরাত কামনা করেন।

Link copied!