× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও লাগামহীন কোচিং বাণিজ্য

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

চলছে কোচিং বাণিজ্য। ছবি : সংগৃহীত

চলছে কোচিং বাণিজ্য। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বস্তির কথা বিবেচনা করে সরকার দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাজধানীর অলিতে-গলিতে পুরোদমে চলছে কোচিং বাণিজ্য। একদিকে দীর্ঘ সময় রোজা রাখা, অন্যদিকে তীব্র গরমের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি নির্দেশনার অবজ্ঞা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রমজানে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে মূলত সিয়াম সাধনার সুযোগ এবং পড়াশোনার অতিরিক্ত চাপ কমানোর জন্য। অথচ অধিকাংশ নামি-দামি কোচিং সেন্টার ‘বিশেষ ব্যাচ’, ‘সিলেবাস রিভিশন’ বা ‘মডেল টেস্ট’ এর দোহাই দিয়ে ক্লাস চালু রেখেছে। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল শিক্ষকরাও ব্যক্তিগত কোচিং বা ব্যাচ পরিচালনা করছেন, যা সরকারি নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুপুরের কড়া রোদে শিক্ষার্থীরা কোচিং থেকে ফিরছে। অনেক শিক্ষার্থী জানায়, কোচিংয়ে না গেলে বা পরীক্ষা না দিলে তাদের পিছিয়ে পড়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, ‘স্কুল বন্ধ কিন্তু কোচিং খোলা থাকলে আমাদের বাধ্য হয়েই পাঠাতে হয়। কারণ পরীক্ষায় নম্বর কম পাওয়ার ভয় কাজ করে। গরমে বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়ছে, কিন্তু কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।’

বাণিজ্যিক মানসিকতা ও নীতিমালা
২০১২ সালের ‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা’ অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না এবং বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত হওয়াও দণ্ডনীয়। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এই নীতিমালা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকছে। বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে এই মৌসুমে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে।

প্রশাসনের বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সচেতন মহলের দাবি, কেবল স্কুল বন্ধ রাখলে হবে না, কোচিং সেন্টারগুলোতেও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া এই কোচিং সিন্ডিকেট ভাঙা অসম্ভব।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রমজান মাসে পড়াশোনার চেয়ে শারীরিক সুস্থতা ও নৈতিক শিক্ষা বেশি জরুরি। কোচিং সেন্টারগুলোর এই অতি ব্যবসায়িক মনোভাব শিক্ষার্থীদের শৈশব ও ধর্মীয় অনুভূতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!