× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

ভারতে গ্রেপ্তার ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া এ দুজনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়ে আবেদন জানিয়েছে।

কলকাতার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শনিবার গভীর রাতে বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কলকাতার বাংলাদেশ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে অনুমতি পাওয়া যেতে পারে।

রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তারা আবার বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

ওই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন- পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন।

এসটিএফ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল করিম মাসুদ স্বীকার করেছেন যে, তিনি সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেন এবং পরে দেশ থেকে পালিয়ে যান। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আশ্রয় নেন। তাদের পরিকল্পনা ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।

এ ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

Link copied!