× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম

আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে বৈশ্বিক প্রতারণা মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি ও বৈশ্বিক প্রতারণা মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি এ ক্ষেত্রে সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত প্রযুক্তিগত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সোমবার (২৬ মার্চ) অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিট ২০২৬’-এ 'Global Fraud Response Mechanism' শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশে ডিজিটাল স্ক্যাম, এমএলএম (MLM) পঞ্জি স্কিম এবং করপোরেট দুর্নীতির ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০০৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে আনুমানিক ২১,০০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে এমটিএফই (MTFE) এবং বিভিন্ন বিতর্কিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বিলিয়ন টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (GFI) রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী জানান, ট্রেড মিস-ইনভয়েসিং বা বাণিজ্যের আড়ালে ২০০৯-২০১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৮.২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। তিনি বলেন, আধুনিক ‘হোয়াইট কলার ক্রাইম’ মোকাবিলায় ১৮৬০ সালের প্রচলিত দণ্ডবিধি বর্তমানে অপর্যাপ্ত, যা সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতারণা রোধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন: (১) প্রতারণার নিত্যনতুন কৌশল বুঝতে ব্যাপক গবেষণা ও কৌশলগত তথ্য আদান-প্রদান; (২) বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্মগুলো আরও শক্তিশালীকরণ; (৩) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা চালুকরণ এবং (৪) বিচারিক কাঠামো ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিতকরণ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আর্থিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। তবে অপরাধের বৈশ্বিক প্রকৃতির কারণে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ছাড়া এককভাবে এটি নির্মূল করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী এই সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নীতি-নির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করছেন। মন্ত্রী আগামীকাল (১৭ মার্চ) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Link copied!