× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

সাইফুজ্জামানের বাসায় দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযানে দুদক

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও দুদকের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও দুদকের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

পলাতক সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পদের ইনভেন্টরি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রথম দিনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের অভিযান ঘিরেও ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।

সোমবার (২০ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আখতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযানের দায়িত্ব পালন করছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আজও ইনভেন্টরি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে ইনভেন্টরি করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া গেছে। আজকের অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

গতকালের রোববার (১৯ জুলাই) অভিযানে ফ্ল্যাট থেকে ৩০০টির বেশি কোট, ৫৩২টির বেশি টাই, ৮টি ঘড়ির বক্স (এর মধ্যে রোলেক্সের ৪টি), ৩ সেট মুক্তার (পার্ল) গয়না, ৪টি ঝাড়বাতি, একটি বেড, একটি সোফা এবং প্রায় ১০০টি কামিজ উদ্ধার করা হয়েছে। বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া রোলেক্স ঘড়ির ক্রয় রসিদ অনুযায়ী প্রতিটি ঘড়ির দাম ১৪ হাজার থেকে ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার হতে পারে।

ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানের শুরুতে দুদক, সিআইডি ও এনবিআরের সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। পরে টিম লিডারের বদলিজনিত কারণে টিম পুনর্গঠন করা হয়।

সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি টিম অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুদক।

মামলাগুলোতে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রী ও ইউসিবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের অর্ধশত কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও আসামি করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই আদালতের আদেশের পর সাইফুজ্জামানের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটের সঠিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণে নেয় দুদক। আদালতের চিঠিতে বলা হয়, সাবেক ভূমিমন্ত্রী এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ঢাকার গুলশানের রোড নং-৬৬, ব্লক-নর্থওয়েস্ট (বি), প্লট নং-১১-এ অবস্থিত এ-৭ (আয়তন ৩,৭৪৭ বর্গফুট) এবং বি-৭ (আয়তন ৩,৮৩২ বর্গফুট) নম্বর ফ্ল্যাট দুটির সঠিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুদকের পরিচালক (সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিট)-কে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ফ্ল্যাটে রিসিভারের প্রবেশ এবং মালামালের ইনভেন্টরি করার সময় দায়িত্ব পালনের জন্য গুলশান রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নিলয় রহমানকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলেও আদালতের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি সাইফুজ্জামান চৌধুরীর (জাবেদ) নামে যুক্তরাজ্যে থাকা ৫১৮টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত। আর ১৩ জানুয়ারি তার সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আট দেশে থাকা বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে তার নামে থাকা দুটি কোম্পানিতে করা বিনিয়োগও অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এসব সম্পদ ও বিনিয়োগের মোট পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৩২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Link copied!