× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

ভোগান্তি নেই, স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ঈদের ছুটিতে স্বস্তিতে ঢাকা ছাড়ছেন হাজার হাজার মানুষ। সড়ক, নৌ ও রেলপথে কোনো ধরনের বিড়ম্বনা ছাড়াই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরেছেন ঘরমুখো মানুষ। সরকারি অফিস, গার্মেন্ট খোলা থাকায় সড়কে মানুষের চাপ কম। তবে ঈদের ছুটি শুরু হলে চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ছিল ট্রেনে ঈদযাত্রার পঞ্চম দিন। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখী মানুষের ভিড় কিছুটা বেড়েছে। যাত্রার ভোগান্তি এড়াতে অনেকে আগেভাগেই রাজধানী ছাড়ছেন। এ ছাড়া সময়মতো ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশও করেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে দু-একটি ট্রেন সামান্য বিলম্বে ছাড়লেও বাকি সব ট্রেন নির্ধারিত সময়েই গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। সকাল থেকেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় শুরু হতে পারে। স্টেশনে যাত্রীদের উপস্থিতি অন্যান্য সাধারণ দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। 

স্টেশন মাস্টার বলেন, এখনো ঈদে বাড়ি ফেরার সেই পরিচিত জনস্রোত শুরু হয়নি। কাল থেকে যাত্রীদের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার কড়া অবস্থানে রয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আর কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, যার টিকিট নেই, তার প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, আগে স্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রীদের জরিমানা করে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হলেও এবার সেই প্রথা বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে এবং যারা আগেভাগে টিকিট কেটেছেন তাদের ভোগান্তি কমাতে এ কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঈদের আর মাত্র বাকি আছে ৩-৪ দিন। অথচ গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রীর চাপ নেই। হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা। তবে তাদের প্রত্যাশা আগামীকাল থেকে যাত্রীচাপ বাড়বে।

এদিকে, যাত্রাবাড়ী মোড়ে ঢাকা-মাওয়া সড়কের যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যানারের শতাধিক বাস কাউন্টার রয়েছে। সড়কেই তাদের বাসগুলো দাঁড়ানো থাকে। এতে সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

সায়েদাবাদ টার্মিনালের পরিবহন শ্রমিকরা বলেন, মানুষ এখন শৌখিন হয়ে গেছে। অনেকে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসে বাড়িতে চলে যান। আবার অনেকে বিমান, ট্রেনে ও লঞ্চে যাচ্ছেন, যার ফলে বাস টার্মিনালে যাত্রীর চাপ নেই। তা ছাড়া সায়েদাবাদ জনপথ মোড়, গোলাপবাগ মোড়, যাত্রাবাড়ী মোড়, দোলাইরপাড়, পোস্তগোলা সড়ক যেন বাস টার্মিনাল। এসব এলাকায় বিভিন্ন ব্যানারের একাধিক বাস সড়কে স্ট্যান্ড হিসাবে ব্যবহার করে। বাসে যাত্রী নিয়ে বরিশাল, পটুয়াখালী, সিলেট, কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়, যার ফলে যাত্রীরা ওইসব এলাকা থেকেই বাসে উঠে চলে যান। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে আসতে হয় না, যার ফলে টার্মিনালে যাত্রী কম থাকে। এতে টার্মিনাল নির্ভর বাসের মালিক ও শ্রমিকদের সমস্যা হচ্ছে। 

এ ছাড়া, গাবতলী, মহাখালী, গুলিস্তান, কলাবাগান ও আরামবাগসহ অন্যান্য বাসস্টপেজেও যাত্রীদের বেশি চাপ লক্ষ করা যায়নি। সদরঘাট লঞ্চ ঘাটেরও একই চিত্র দেখা গেছে। যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল লক্ষ করা গেছে সদরঘাট লঞ্চ ঘাটেও।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!