বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ওই রুটে রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে কোচগুলো উদ্ধার করতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে নীলফামারীর চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সান্তাহারে পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে না। এ সময়ে যাত্রীদের জন্য ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
রেলওয়ের এই পরিকল্পনায় যাত্রীরা দুর্ঘটনাস্থলের আগে ও পরে ট্রেন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছাবেন। এ জন্য কয়েকটি ট্রেনকে সমন্বয় করে বিভিন্ন রুটে চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-পঞ্চগড়-ঢাকা রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস এবং দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট চালানো হবে। খুলনা-নীলফামারী রুটে সীমান্ত ও রূপসা এক্সপ্রেস ব্যবহার করা হবে। এছাড়া পার্বতীপুর স্পেশাল ও বাংলাবান্ধা বা কাঞ্চন ট্রেন দিয়ে ঢাকা-পার্বতীপুর রুটে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
রাজশাহী-চিলাহাটি রুটে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট পরিচালনা করা হবে। কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস (৭৯৭) বগুড়া হয়ে কুড়িগ্রাম চলাচল করবে। অন্যদিকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের (৮০৩ ও ৮০৪) কিছু যাত্রা আংশিক পরিবর্তন ও বাতিল করা হয়েছে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দুর্ঘটনার কারণে উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তি হলেও বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রা সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন