× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৪:৪১ এএম

সংসদে বিল আকারে পাসের প্রয়োজন নেই গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৪:৪১ এএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত

সদ্য সমাপ্ত গণভোট যে অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটিকে বিল আকারে সংসদে পাস করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

গণভোট অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছিল, সেই গণভোট ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে এ অধ্যাদেশের অধীনে আর কোনো গণভোট হবে না। তাই এটিকে বিল আকারে এনে আইন করার কোনো অর্থ নেই।

তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংসদের অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে সংশ্লিষ্ট গণভোট অধ্যাদেশের কার্যকারিতা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে বলে এটিকে আইন করার প্রয়োজন নেই।

বিশেষ কমিটির বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, আর কিছু সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে আনা হবে। তবে সময় স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বিল আনা সম্ভব হবে না। বাকি অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলের মতপার্থক্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কয়েকটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী ও সরকারি দলের কিছু সদস্য ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন। এসব মতামত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হবে। পরে সংশ্লিষ্ট বিল সংসদে উত্থাপনের সময় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠে সদস্যরা তাঁদের মতামত জানানোর সুযোগ পাবেন।

৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যে কোনো অধ্যাদেশ পাস না হলে কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ বিল আকারে আনা সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে লুপ্ত (ল্যাপস) হয়ে যাবে। তবে পরবর্তী অধিবেশনে সেগুলো আবার বিল আকারে আনা যেতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সীমানা নির্ধারণ বা নির্বাচন-সংক্রান্ত কিছু অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ প্রভাব রয়েছে, তাই সেগুলোকে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

মানবাধিকার কমিশন বা পুলিশ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বিষয়ে তিনি জানান, এগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বিস্তারিত জানাবেন। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!