× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

অধ্যাদেশ বাতিল-স্থগিতে টিআইবির ক্ষোভ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও পৃথক সচিবালয় সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের নামে স্থগিত করার সুপারিশে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এসব অধ্যাদেশ হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপনের দাবি জানিয়েছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কয়েকটি দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, পৃথক সচিবালয় এবং মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এসব অধ্যাদেশ বাতিল ও স্থগিতের মাধ্যমে সরকার কী বার্তা দিতে চায়? বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল, বর্তমান সিদ্ধান্ত কি তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়?

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অতীতে কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে বিচার বিভাগকে বিরুদ্ধ মত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল—এ অভিজ্ঞতা এত দ্রুত ভুলে যাওয়া হতাশাজনক।

একই সঙ্গে তিনি জানান, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ স্থগিত হওয়ায় একটি কার্যকর কমিশন গঠনের সম্ভাবনা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সুরক্ষার দুর্বলতা মানুষের জীবনকে কীভাবে বিপন্ন করতে পারে, তা রাজনৈতিক নেতৃত্বের অজানা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর প্রসঙ্গ তুলে টিআইবি জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের নামে এগুলোকে ঝুলিয়ে রাখা হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ অজুহাতে আইন দুর্বল করার কোনো চেষ্টা হলে তা আত্মঘাতী হবে বলে সতর্ক করে সংস্থাটি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে টিআইবি বলেছে, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সংশোধন এনে দ্রুত বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে দুদকের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন বাছাই ও পর্যালোচনা কমিটি গঠনের বিধান যুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

এছাড়া পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের সমালোচনা করে টিআইবি জানায়, এতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পুলিশ কমিশন গঠনের প্রতিফলন নেই। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সংশোধন করে কার্যকর তথ্য কমিশন গঠনের আহ্বান জানানো হয়।

টিআইবি আরও বলেছে, স্থগিতের সুপারিশপ্রাপ্ত সব অধ্যাদেশ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে আইনে পরিণত করতে হবে। এতে গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!