× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

আদ-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু : অবহেলার প্রমাণ পেল তদন্ত কমিটি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম

আদ-দ্বীন হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

আদ-দ্বীন হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মকবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, ভিকটিমদের পরিবারবর্গ, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের বক্তব্য পর্যালোচনা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় তদন্ত কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৭ মে ভোর রাত আনুমানিক ৫টা হতে সকাল ৯টার মধ্যে ছয় জন নবজাতকের আকস্মিক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উক্ত সময়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকা, নার্স/স্টাফ এবং সর্বোপরি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অবহেলাজনিত বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

কোরবানির ঈদের আগের দিন বুধবার ভোরের দিকে আদ-দ্বীন হাসপাতালের ‘পোস্ট অপারেটিভ’ ওয়ার্ডে থাকা ছয় শিশুর সবাই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং একে একে তাদের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় দেশব্যাপী ‘গভীর উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভের’ সৃষ্টি হয়।

ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই কমিটি বুধবার তাদের প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কমিটির প্রতিবেদনের সারমর্ম সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।

ভবনের অনুপযুক্ততা : তদন্ত কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করে একমত হয়েছে যে, ভবনটি হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়।

ভেন্টিলেশন ও অক্সিজেনের ঘাটতি : সংশ্লিষ্ট পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষ ২ পরিদর্শন শেষে কমিটির কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে, কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকায় এবং স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন না থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। অন্যদিকে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল।

দায়িত্বে চরম অবহেলা : কমিটি বলছে, কক্ষের দায়িত্বরত সেবিকা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মৃত নবজাতকদের অভিভাবকদের বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, সেবিকাদের দায়িত্বে ‘চরম অবহেলা ও অসহযোগিতা’ ছিল। নবজাতকের আকস্মিক শারীরিক অবনতির সময় হাসপাতালে সক্রিয় ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স ছিল না।

চিকিৎসায় গাফিলতি : প্রতিবেদনে বলা হয় অভিভাবকদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সংশ্লিষ্ট নার্স কোনো চিকিৎসককে বিষয়টি অবহিত না করে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এমনকি নবজাতকদের মৃত্যু রোধে প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়নি।

অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি : প্রায় ৯০০ বর্গফুটের ওই কক্ষে সে সময় ১১ জন রোগী, নবজাতক এবং রোগীর স্বজনসহ প্রায় ৫০ জন উপস্থিত ছিলেন, যা ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি।

প্রশাসনিক ব্যর্থতা : তদন্ত কমিটি বলছে, হাসপাতালের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা হাসপাতাল পরিচালনার প্রাথমিক শর্তাবলি পালনে ‘সক্ষম ছিলেন না’।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!