× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ই-সিগারেট বৈধ হলে তরুণ প্রজন্ম মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে: ১৮ সংগঠনের হুঁশিয়ারি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দেশে ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেমকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৮টি তামাকবিরোধী সংগঠন। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর ধারা ২(গ) সংশোধন করে যদি ই-সিগারেটকে তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে দেশের লক্ষ-কোটি তরুণের জীবন ও স্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়বে।

গতকাল রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও তামাকবিরোধী কর্মীরা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি ও ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, ‘ই-সিগারেটের রাসায়নিক পদার্থ নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজননক্ষমতা নষ্ট করছে। এমনকি এর প্রভাবে জন্ম নেওয়া শিশুরাও শারীরিক ত্রুটি নিয়ে জন্মানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই আইনকে কেন এবং কাদের স্বার্থে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তা সরকারের খতিয়ে দেখা দরকার।

মানস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী বলেন, ই-সিগারেট কম ক্ষতিকর বলে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে স্পষ্টভাবে ক্ষতিকর বলেছে। বিশ্বের ৪১টি দেশ ইতোমধ্যে এটি নিষিদ্ধ করেছে। তিনি আরও যোগ করেন, সরকার একদিকে ধূমপান ত্যাগের ওষুধ ও কর্মসূচি চালু করছে, অন্যদিকে ‘কম ক্ষতিকর’ অজুহাতে নতুন একটি নেশাজাত পণ্য বাজারে আনার সুযোগ করে দিচ্ছে যা অত্যন্ত স্ববিরোধী।

একাত্তর টেলিভিশনের প্ল্যানিং এডিটর ও গবেষক সুশান্ত সিনহা অভিযোগ করেন, দেশে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধের ধারাটিও বাতিলের চেষ্টা চলছে, যা তরুণদের ধ্বংসের পথে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে, ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ আদালতের একটি রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সরকার নতুন কোনো তামাকজাত পণ্যের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফলে ই-সিগারেটকে কোনোভাবেই বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।

সিএলপিএ-এর হেড অব প্রোগ্রাম আমিনূল ইসলাম বকুল বলেন, বাংলাদেশে ই-সিগারেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ০.২ শতাংশ। মাত্র একটি বিদেশি কোম্পানি এবং কিছু ব্যবসায়ীর মুনাফার জন্য পুরো তরুণ সমাজকে মহামারির ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ ফারহানা জামান লিজা এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ইব্রাহীম খলিল।

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা ১৮টি সংগঠন হলো বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা), বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল এডভোকেটস (বিটিসিএ), বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি), বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ নেটওয়ার্ক (বিটিসিআরএন), বাংলাদেশ সেন্টার ফর গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিসিজিডি), বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, আর্থ ফাউন্ডেশন, লিডার্স ইন টোব্যাকো কন্ট্রোল এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন, লেটস ওয়ার্ক, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন, পাবলিক হেলথ ল’ইয়ার্স নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্য আন্দোলন, সেতু, তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), ইউনাইটেড ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকো, স্কুল অব লাইফ, ইয়ুথ ফর টোব্যাকো ফ্রি বাংলাদেশ এবং সিটিজেন্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!