জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ‘রিপ্রেজেনটেশন অব দ্য পিপলস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ সংসদে পাস হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে আরপিও সংশোধনী বিলটি পাস করা হয়।
সংসদীয় কার্যক্রমের শুরুতেই স্পিকার বিলটির ওপর দফাওয়ারি সংশোধনীগুলো হাউসে উত্থাপন করেন। এ সময় কোনো সংশোধনী না থাকায় বিলের ধারা ২, ৩ ও ৪ এবং শিরোনাম ও প্রস্তাবনাগুলো কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার যৌক্তিক সময় পূর্ব পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তাদেরও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশটিকে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংসদের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে বিল আকারে পাস করার বাধ্যবাধকতা ছিল। প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত করা হলে সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়ন আরও সহজতর হবে।
ডেপুটি স্পিকারের সঞ্চালনায় সংসদ সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমেি এটি পাস হয়।
উল্লেখ্য, ‘ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯’ সংশোধনের লক্ষ্যে গত বছর ‘ভোটার তালিকা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল, যা আজ পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরিত হলো।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন