× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০২:২১ এএম

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরল আরও ১৭৪ বাংলাদেশি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ০২:২১ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতায় বুধবার (২২ এপ্রিল) ত্রিপোলি থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।  তারা ত্রিপোলি ও আশপাশের বিভিন্ন শহর থেকে নানাবিধ ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদগ্রস্ত পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন।  তাদের মধ্যে একজন গুরুতর অসুস্থসহ মোট ২৭ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের বিদায় জানান।  এ সময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান এবং প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যাবাসনের আগে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের প্রি-ডিপার্চার ব্রিফিং দেন।

তিনি বলেন, লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, বিপদগ্রস্ত ও পাচারের শিকার বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বহির্গমন ভিসা (খুরুজ নিহায়ী) সহজীকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রত্যাবাসন ফ্লাইটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দূতাবাস লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

তিনি প্রত্যাবাসিতদের পুনর্বাসন ও পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন এবং দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করতে উৎসাহিত করেন। পাশাপাশি অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো এবং সরকারি-বেসরকারি পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতারিত অভিবাসীদের দেশে ফিরে সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রোধ করা যায়।

একই সঙ্গে তিনি অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি, দুর্ভোগ ও প্রতিকূল অভিজ্ঞতা নিজ নিজ এলাকায় তুলে ধরে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

২০২৬ সালে আইওএমের সহায়তায় চারটি প্রত্যাবাসন ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত মোট ৬৮৯ জন অভিবাসীকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!