× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

‘হকার পুনর্বাসনে ছয়টি খোলা মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।  ছবি : সংগৃহীত

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, হকারদের পুনর্বাসনের জন‍্য ৬টি খোলা মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে একটি রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়ার মাঝে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, ‘ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে।’

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গাগুলোতে স্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না। চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিনের শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।’

নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবের কথা তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।’

তিনি সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, নগর সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজউক চেয়ারম্যান আরও জানান, রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে। এ সময় তিনি গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পূর্বাচল প্রকল্পকে সক্রিয় করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান বলেন, ‘শুধু কাগজে পরিকল্পনা থাকলে হবে না, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। রাজধানীর অধিকাংশ সুবিধা গুলশান-বনানীর মতো অভিজাত ৫ শতাংশ মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ, অথচ কড়াইল বস্তির মতো এলাকায় সেই সুবিধা পৌঁছায়নি।’

ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণাধীন থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

আলোচনা সভায় বক্তারা সমন্বিত পরিকল্পনা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!