ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

অবশেষে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন যারা

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
বাংলাদেশ সরকার। ছবি : সংগৃহীত

অবশেষে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন পে-স্কেল। আর এই দায়িত্ব পড়েছে ১০ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটির ওপর। যার নেতৃত্বে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

সম্প্রতি জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের এ কমিটির ওপর পড়েছে পে-স্কেল বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র বলছে, দেশের প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণে এই কমিটি নির্ধারকের ভূমিকা পালন করবে। নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঠিক পদ্ধতি, ধাপে ধাপে কার্যকর করার রূপরেখা এবং কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলোর মধ্যে কোনগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—সব কিছুই চূড়ান্ত করবেন তারা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনটি পৃথক কমিশনের সুপারিশ একত্রে পর্যালোচনা করা একটি ইতিবাচক ও সমন্বিত উদ্যোগ। তবে কমিটির সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কর্মচারীদের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি করা। রাজস্ব সীমাবদ্ধতা ও বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বেতন কাঠামো কেবল আর্থিক সুবিধা নয় বরং এটি সরকারি প্রশাসনের দক্ষতা ও কর্মপরিবেশের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। তাই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা এবং একটি টেকসই ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে এখন সব সরকারি চাকরীজীবীদের নজর ১০ সদস্যের কমিটির ওপর। তারা কীভাবে সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করে একটি আধুনিক ও টেকসই বেতন কাঠামো প্রস্তাব করেন। এবং সেটি সরকার কিভাবে বাস্তবায়ন করেন।