× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ১২:২৯ এএম

দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মিলন কারাগারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ১২:২৯ এএম

দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মিলন কারাগারে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ শাহজাহান কবীর এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

আদালত ও দুদক সূত্র জানায়, হামিদুল আলম মিলন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার তাজুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ছিলেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে স্ত্রী শাহজাদী আলম লিপিকে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে দুদক মামলা করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শাহজাদী আলম লিপি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য ও উৎস গোপন করে মিথ্যা হিসাব দেন। একই সঙ্গে স্বামীর সহায়তায় ২৬ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখেন।

এ ছাড়া স্বামীর সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরে এসব সম্পদের উৎস গোপন করতে রূপান্তর, স্থানান্তর বা হস্তান্তর করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আনোয়ার হোসেন জানান, আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন হামিদুল আলম মিলন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বগুড়ার কোর্ট পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, আদেশের পর তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন হামিদুল আলম মিলন। ওই মামলায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। পরে ঈদুল ফিতরের আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এ ছাড়া চাকরিতে থাকা অবস্থায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ৬১ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তার তিন বোন—আজিজা সুলতানা, আরেফা সালমা ও শিরিন শবনমকেও আসামি করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!