× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প নিয়ে সুখবর দিলেন মন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি- সংগৃহীত

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ছবি- সংগৃহীত

দেশের অন্যতম বৃহৎ মেগা প্রকল্প ‘পদ্মা ব্যারাজ’-এর কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

বুধবার (৬ মে ২০২৬) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের প্রায় ২৪টি জেলার মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। এটি কেবল সেচ প্রকল্প নয়; বরং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা, মৎস্য চাষ এবং কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজবাড়ী জেলার পাংসা পয়েন্টে এই ব্যারাজ নির্মাণ করে পানি সংরক্ষণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নদী শাসন নিয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের পানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পটি মূলত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে শুষ্ক মৌসুমে সৃষ্ট পানিসঙ্কট, মরুকরণ এবং লবণাক্ততা রোধ করাই এর মূল লক্ষ্য। 

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে রাজশাহীতে এই প্রকল্পের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 

প্রস্তাবিত এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৪,৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। তবে প্রকল্পের বিশালতা ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনায় ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও সরকারের বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে।

বৈঠকে পদ্মা ব্যারাজ পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে তিস্তা প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুমের আগেই সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!