× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম

পুলিশে চেইন অব কমান্ড ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত

পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ বা চেইন অব কমান্ড অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সদস্যদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের আস্থাভাজন বাহিনী হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। থানায় সেবা নিতে আসা মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির মুখে না পড়েন, তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব। রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে প্রতিটি সদস্যের আচরণে দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার প্রতিফলন থাকতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ এই দর্শনকে শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত করতে হবে। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলেই বাহিনীকে এগিয়ে যেতে হবে।

সরকার পুলিশে দুর্নীতির কোনো সুযোগ দেবে না উল্লেখ করে তিনি জানান, বাহিনীর কোনো সদস্য শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অনিয়মে জড়ালে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যক্তিগত সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।

পুলিশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়াতে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার সম্প্রসারণের কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, অপারেশন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও তদন্তসহ বিভিন্ন পর্যায়ে এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যক্রম আরও জবাবদিহিমূলক করা হবে।

মানবাধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুসারে ন্যূনতম বলপ্রয়োগ বিষয়ে সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অপরাধ দমন ও তদন্তে মানবাধিকারকে সমুন্নত রেখে পেশাদার ও কৌশলগতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রচলিত প্রতিক্রিয়াশীল পুলিশিংয়ের পরিবর্তে অপরাধ ঘটার আগেই তা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্লেষণভিত্তিক প্রোঅ্যাক্টিভ পুলিশিংকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে আগাম প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল গুজব ও অপপ্রচার মোকাবিলাকে বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতাও জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে পুলিশিং শুধু অপরাধ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জননিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা অর্জনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিট পুলিশিং জোরদারের আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে তৃণমূল পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। পাড়া-মহল্লায় অপরাধী চক্র, মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুলিশকে জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!