× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম

ঢামেকে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নিল দালাল, প্রাণ গেল শিশুর

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম

অভিযুক্ত এনায়েত করিম

অভিযুক্ত এনায়েত করিম

চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ ছিল, দুই মিনিটের জন্যও খোলা যাবে না অক্সিজেন মাস্ক। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে এক দালাল শিশুটির মুখ থেকে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেন। পরে অক্সিজেনের অভাবে বাবার কোলেই মারা যায় সাত মাস বয়সি শিশু মিনহাজ।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনায়েত করিমকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অফিস সহকারী।

স্বজনদের ভাষ্য, কিডনি জটিলতায় ভোগা মিনহাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়। হাসপাতালে শয্যা খালি হলে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন এনায়েত করিম। এর আগে তিনি কাঁটাবন এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা খরচে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শও দেন।

পরিবারের অভিযোগ, রোগীকে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার উদ্দেশ্যে মিনহাজের মুখ থেকে অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলেন এনায়েত। এরপর প্রায় ২০ মিনিট মাস্ক ছাড়াই শিশুটিকে হাসপাতালের ভেতরে ঘোরানো হয়। পরে ২ নম্বর ভবনের গেট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় স্বজনরা বুঝতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনায়েত করিমের বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করার অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। বরখাস্ত অবস্থাতেও তিনি হাসপাতাল এলাকায় দালালি ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঢামেক সংশ্লিষ্টরা জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের সুযোগ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় অর্ধশত দালাল সক্রিয় রয়েছে। তারা আইসিইউ প্রয়োজন এমন গুরুতর রোগীদের টার্গেট করে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করে। নিয়মিত অভিযান চললেও মূল হোতারা অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনমথ হালদার জানান, নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত এনায়েতের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!