× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৯:২০ এএম

ভারত-বাংলাদেশ ৯০তম যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক আজ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২১, ২০২৬, ০৯:২০ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৯০তম যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠক আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শুরু হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এ বৈঠক চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল কলকাতায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, যৌথ নদী কমিশনের পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান।

এ ছাড়া বৈঠকে অংশ নেবেন দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির কেন্দ্রীয় জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন প্রধান প্রকৌশলী।

এবারের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ। ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।

আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদ সফর করবে। সেখানে তারা ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ পরিমাপ করবেন। পরে প্রতিনিধি দল কলকাতায় ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে মূল বৈঠকে অংশ নেবে।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে পানিবণ্টনের বিধান রয়েছে।

গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।

পানির প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত।

আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন করে সমঝোতা না হলেও বিদ্যমান চুক্তি অনুসারেই আপাতত পানিবণ্টন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Link copied!