ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার ধীরগতি

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ছেড়ে উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের যাত্রা বেড়েছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতুর পূর্বপাড় এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং খোলা ট্রাকেও যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যে রওনা হন।

বিশেষ করে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় ধীরগতিতে চলাচল করছে গাড়ি। তবে কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যমুনা সেতু এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল জোরদার করা হয়েছে।

এ ছাড়া কোরবানির পশুবাহী ট্রাক, পণ্যবাহী যান ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এলেঙ্গা ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ চলমান থাকা এবং চার লেন প্রকল্পের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ থাকায় যান চলাচলে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এতে সামনের দিনগুলোতে যানজটের আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও চালকেরা।

যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার ভোররাতের বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতু বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের জন্য ১৮টি টোল বুথ চালু রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পার হয়েছে প্রায় ৫৩ হাজার যানবাহন। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।