× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ শ্রমজীবী মানুষের পরিবারের ক্ষতিপূরণ দাবি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে ১৫ জন ক্ষেতমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি। একই সঙ্গে আহতদের সরকারি খরচে চিকিৎসা নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. ফজলুর রহমান। বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, ক্ষেতমজুর সমিতির কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন রেজা, সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার, সহসাধারণ সম্পাদক কল্লোল বণিক এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য মোতালেব হোসেন।

এ ছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল এবং রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ট্রাক উল্টে ১৫ জন ক্ষেতমজুরসহ শ্রমজীবী মানুষের মৃত্যু হলেও এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসনের বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি।

তিনি বলেন, কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলেও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের নিরাপদে বাড়ি ফেরা ও কর্মস্থলে ফেরার জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ জীবিকার তাগিদে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে কাজ করতে আসেন। ঈদ উপলক্ষে কম খরচে বাড়ি ফিরতে গিয়ে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে পণ্যবাহী ট্রাকে যাতায়াত করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কার্যকর ব্যবস্থা থাকলে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রডবোঝাই ট্রাকে বাড়ি ফিরতে হতো না।

সড়ক দুর্ঘটনায় এসব মৃত্যুকে তিনি `কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড' হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফজলুর রহমান বলেন, গ্রামে সারা বছর কাজের অভাবে ক্ষেতমজুরদের জীবিকার সন্ধানে শহরে আসতে হয়। ঈদে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনি নিহতদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানান।

অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন রেজা বলেন, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে ক্ষেতমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অথচ তাদের সারা বছর কাজ ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। তিনি শ্রমজীবী মানুষের নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রতিবছর ঈদযাত্রায় বহু শ্রমজীবী মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে বাসের ছাদে যাত্রী বহন নিষিদ্ধ, সেখানে রডবোঝাই ট্রাকে করে এত মানুষ কীভাবে মহাসড়কে চলাচল করল এবং তা কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসেনি।

সমাবেশ থেকে নেতারা সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধে সরকারের প্রতি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Link copied!