× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৬, ০৯:২৬ এএম

ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা শুরু, রাজধানীর পথে মানুষের ঢল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৬, ০৯:২৬ এএম

রাজধানীর পথে মানুষ। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পথে মানুষ। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীরা স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছেন। একই সঙ্গে ঈদের সময় বাড়ি যেতে না পারা অনেক মানুষ এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হওয়ায় রাজধানীর পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে দুইমুখী যাত্রীর ব্যস্ততা।

রোববার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ফিরতি যাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র চোখে পড়েনি। পরিবহন ব্যবস্থাও ছিল অনেকটাই স্বাভাবিক।

দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় ফেরা যাত্রীরা জানান, নদীপথে যাত্রা ছিল নির্বিঘ্ন। অধিকাংশ লঞ্চ নির্ধারিত সময়েই রাজধানীতে পৌঁছেছে। যাত্রী থাকলেও অতিরিক্ত চাপ বা আসন সংকটের মতো পরিস্থিতি দেখা যায়নি।

অন্যদিকে, রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। কাউন্টারগুলোতেও দীর্ঘ সারি দেখা যায়নি। যাত্রীরা সহজেই নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে মানুষ একদিনে না ফিরে কয়েক দিনে ভাগ হয়ে রাজধানীতে ফিরছেন। ফলে ফিরতি যাত্রার চাপও ছড়িয়ে পড়েছে। শেরপুর থেকে আসা একটি বাসের হেলপার রবিউল ইসলাম বলেন, এখনো ফিরতি চাপ পুরোপুরি শুরু হয়নি। যাত্রী রয়েছে, তবে আগের বছরের মতো হুড়োহুড়ি নেই। সবাই ধীরে ধীরে ফিরছেন।

এদিকে ঈদের সময় কর্মব্যস্ততা কিংবা অন্যান্য কারণে যারা বাড়ি যেতে পারেননি, তারা এখন পরিবার নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে একদিকে রাজধানীতে ফেরা যাত্রী, অন্যদিকে গ্রামমুখী যাত্রী—উভয়ের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

কমলাপুর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও সদরঘাট এলাকায় দুইমুখী যাত্রী চলাচলের কারণে কিছুটা ব্যস্ততা থাকলেও কোথাও বিশৃঙ্খলা বা পরিবহন সংকটের খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, যাত্রীদের চাপ দুই দিকে বিভক্ত হওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং যাত্রী ভোগান্তিও কমেছে।

ফিরে আসা যাত্রীরা জানান, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ফিরতি যাত্রা অনেকটাই আরামদায়ক হয়েছে। তবে ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদানের আগে বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে রাজধানীমুখী যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করছেন। ছুটি শেষে আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংকসহ অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলবে। ফলে দিনের শেষভাগে ঢাকামুখী মানুষের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!