ঢাকা রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

লেবাননে নিহত ২ প্রবাসীর লাশ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় গত ১১ মে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধা মরদেহ আজ রোববার (৭ জুন) ভোরে দেশে পৌঁছেছে। তাদের নাম শফিকুল ইসলাম এবং মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত থেকে তাদের মরদেহ গ্রহণ করেন। পরে তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিহতদের অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

নিহত শফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আফসার আলী এবং মাতার নাম আজেয়া খাতুন। অপরদিকে, নিহত মো. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ একই জেলার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. আব্দুল কাদের এবং মাতার নাম নূরনাহার খাতুন।

তারা উভয়েই দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে কর্মরত ছিলেন এবং দেশে নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছিলেন।

মরদেহ দুটি বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৪২৭ শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে বৈরুত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। পরবর্তীতে কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কিউআর-০৬৪২ যোগে মরদেহ দুটি রোববার (৭ জুন) ভোরে (৬ জুন দিবাগত মধ্যরাতে) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত নিহত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দূতাবাস সংশ্লিষ্ট লেবানিজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্টিফায়েড পুলিশ রিপোর্ট, মরদেহ দেশে পাঠানোর অনুমতিপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

বাংলাদেশ সরকার লেবাননে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বৈরুতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।