× UCB Sticker Card
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ-ইইউর প্রতিশ্রুতি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার ও সম্পর্ক গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিকবিষয়ক, রিটার্ন ও ভিসা বিভাগের পরিচালক হেনরিক নিলসেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় ইইউর অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় বিনিময়ের কথা উল্লেখ করে দুই পক্ষের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে অভিবাসন ও জনশক্তি চলাচল সংক্রান্ত সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

তিনি ইইউর ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবীদের জন্য নতুন বৈধ অভিবাসন পথ তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

আলোচনায় ইইউর প্রস্তাবিত ‘অ্যাসাইলাম অ্যান্ড রিটার্ন বর্ডার প্রসিডিউর’ নিয়েও মতবিনিময় হয়। অভিবাসন ও প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন উভয় পক্ষ। পাশাপাশি অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও এর নেতিবাচক পরিণতি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির চলমান কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতি ইইউর অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।

Link copied!