× UCB Sticker Card
শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিরতা, নেপথ্যে কি? 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দফায় দফায় বিস্ফোরণ, বিমান হামলা ও সশস্ত্র সংঘাতের জেরে সীমান্তবর্তী টেকনাফ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

স্থানীয় ও সীমান্ত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাখাইনের মংডু ও বুথিডং টাউনশিপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি-এর অবস্থান লক্ষ্য করে যুদ্ধবিমান থেকে বোমা হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একাধিক দফায় বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে সীমান্তের ওপারে থাকা নাফ নদী সংলগ্ন এলাকাগুলো কেঁপে ওঠে।

বিস্ফোরণের শব্দে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিস্ফোরণের সময় নাফ নদীর ওপারে আগুনের শিখাও দেখা গেছে, যা আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার জানিয়েছেন, রাখাইনে যুদ্ধ বা বিমান হামলা হলে তার প্রভাব সরাসরি সীমান্ত এলাকায় পড়ে এবং রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের ঝুঁকি বাড়ে।

বর্তমানে বিজিবি সীমান্তে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতেও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মিয়ানমারে থাকা স্বজনদের নিরাপত্তা নিয়ে শরণার্থীরা উদ্বিগ্ন।

তাদের অভিযোগ, চলমান সংঘাতে কয়েকটি রোহিঙ্গা গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আরাকান আর্মি ২০২৩ সালের শেষ দিকে রাখাইনের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই সেখানে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এরপর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।

২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে।

Link copied!