ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

কোথায় কী লাগবে জানান, সরকার সহায়তা নিশ্চিত করবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদার পুকুরপাড় এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে ফটিকছড়ি উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি হালদা নদীর ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন, ক্ষয়ক্ষতির খবরাখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানুষের কী প্রয়োজন, তা খোঁজ নিন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। তিনি সার্বক্ষণিক বন্যার্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছেন এবং ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা। সরকার যেকোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব জহির আজম চৌধুরীসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।