× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬.৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ৩১.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানায়।

এদিকে একই দিন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ২৫ জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) সভাপতিত্ব করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে মো. নুরুল ইসলাম বলেন, চলমান ডলার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটের কারণে অনেক ব্যাংক সময়মতো আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছে না। ফলে শিল্প-কারখানার কাঁচামাল ও অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য আমদানিতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান তিনি।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মূলত সরকারের বৈদেশিক দায়-দেনা পরিশোধ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবহার করে।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট, নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট এবং নগদ বৈদেশিক মুদ্রার সম্মিলিত মজুত প্রায় ২.১৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এবং অন্যান্য বৈধ বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের মাধ্যমে নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণ করে। আমদানি ঋণপত্র খোলা ও আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য এবং ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত নেট ওপেন পজিশন (NOP) সীমা অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি বলেন, এলসি খোলার সক্ষমতা মূলত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হলে ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজার থেকে তা সংগ্রহ করতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানি ঋণপত্র খোলা ও বৈদেশিক লেনদেন পরিচালনায় বর্তমানে সামগ্রিকভাবে কোনো ডলার সংকট নেই।

Link copied!