শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:২২ এএম

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:২২ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স এগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’ সম্মেলনে গৃহীত সনদে ৩০ আগস্টকে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরের বছর থেকেই বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর গুমসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদে সই করে সরকার। পাশাপাশি দুটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে এ-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন।

গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাপক সমালোচনায় পড়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সই করেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক ৯টি সনদের আটটিতে সই করেছে। জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের অনুরোধের পরও বিগত সরকার গুমবিরোধী সনদে সই করেনি। অন্তর্বর্তী সরকার মানবাধিকার সমুন্নত রাখার পাশাপাশি গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে চায়। এ লক্ষ্যে সরকার গুমবিরোধী সনদে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

এদিকে ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে গুম করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া, গুম-সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে খসড়া অধ্যাদেশে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া নীতিগত অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

আওয়ামী লীগ আমলে বিরোধী মত দমনের নামে রাজনীতিক, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে গুমের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে অন্তর্বর্তী সরকার। বেরিয়ে আসছে রোমহর্ষক নানা ঘটনা।

গণঅভ্যুত্থানের পর এবার দিনটি পালিত হচ্ছে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে। দিবসটি উপলক্ষে গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে তাদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। তারা গুমের শিকার ব্যক্তিদের খোঁজ ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। জড়িতদের কঠোর শাস্তি চান ভুক্তভোগীরা।

বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) ও হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) আলাদা বিবৃতিতে বিভিন্ন দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, সব নাগরিককে গুম থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা, গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের যথাযথ পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, গুমের শিকার সব নিখোঁজ ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং গুমের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

Link copied!