গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা নুরকে ফোন করেন এবং তার অবস্থার বিস্তারিত জানেন।
ফোনালাপে নুরুল হক প্রধান উপদেষ্টাকে গতকালের ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ।
এদিকে, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জাতীয় পার্টি ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মানুষের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করেছে। তারা জুলাই বিপ্লবে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছিল। এবারও তারা তাদের পুরোনো ইতিহাস উন্মোচন করেছে। তাই নিষিদ্ধ ঘোষণার যে দাবি উঠেছে, তা আইনগতভাবে যাচাই-বাছাই করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান বলেন, আহত অবস্থায় রাতে যখন আনা হয় প্রথমে ক্যাজুয়ালটি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরকে দেখেন। পরে সেখান থেকে তাকে ওয়াল স্টক ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) রাখা হয়। পরে রাতেই আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখের ওপরে আঘাত রয়েছে, মাথায় সামান্য রক্তক্ষরণ রয়েছে। রাতেই পাঁচ বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তাদের পরামর্শে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিচালক বলেন, বর্তমানে তিনি স্ট্রাবল রয়েছেন। তবে ৪৮ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত বলছি না। তার মস্তিষ্কে যে রক্তক্ষরণ রয়েছে, তা ওষুধে ভালো হয়ে যাবে বলে আশা করছি।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন