ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বিজয় দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান উপদেষ্টা

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ০১:৪০ পিএম
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি- সংগৃহীত

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে বিজয় দিবসকে আরও মহিমান্বিত করতে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে মনোজ্ঞ ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প এবং বিশেষ এ্যারোবেটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত ব্যান্ড পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দলের বাদ্য পরিবেশন করা হয়। রাজধানীর বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলা ও সেনানিবাস বা ঘাঁটি সংলগ্ন এলাকাতেও সীমিত আকারে ব্যান্ড পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।বিমান বাহিনীর উদ্যোগে খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নাটোর, বগুড়া, চট্টগ্রাম শহর ও ফৌজদারহাট এলাকা, কক্সবাজার এবং মাতারবাড়ী এলাকায় সীমিত পরিসরে ফ্লাই পাস্ট পরিচালিত হয়।

বিজয়ের ৫৪তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিকুর রহমানসহ সশস্ত্র বাহিনীর ৫৩ জন সদস্য মোট ৫৪ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করেন। এ উদ্যোগ সফল হলে একসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের রেকর্ড হিসেবে এটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশের নামে লিপিবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই আয়োজন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সক্ষমতা ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে জাতীয় গৌরব ও আত্মপরিচয়ের অনুভূতি আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিক, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিজয় দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, পাগলা (নারায়ণগঞ্জ) এবং বরিশালসহ বিআইডব্লিউটিসি ঘাটে নৌবাহিনীর নির্ধারিত জাহাজগুলো দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। পাশাপাশি সামরিক জাদুঘরসহ তিন বাহিনীর অন্যান্য জাদুঘরও বিনা টিকিটে সর্বসাধারণের জন্য খোলা রাখা হয়।