× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

মতামত

বগুড়ায় সামরিক ড্রোন কারখানা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন অধ্যায়

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

চোখের পলকে বদলে গেছে আধুনিক বিশ্বের যুদ্ধের ধারা। এক সময় যুদ্ধ মানেই ছিল সাঁজোয়া ট্যাংক আর আর্টিলারির একচ্ছত্র দাপট। সেই স্থান দখল করেছে ‘আইকনিক’ অস্ত্র ড্রোন। মনুষ্যবিহীন এই আকাশযানের মাধ্যমে অতি সহজেই প্রতিপক্ষকে নজরদারি ও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা সম্ভব হচ্ছে। আকাশযুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার বাড়ছে ব্যাপকভাবে। ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধেও ড্রোনের আধিপত্য পাল্টে দিয়েছে হিসাব-নিকাশ। জয়-পরাজয় নির্ধারণের অন্যতম বড় এই উপাদান রীতিমতো খেলা ঘুরিয়ে দিচ্ছে ময়দানে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও পরিবর্তনশীল বিশ্বের নিরাপত্তা বাস্তবতায় বাংলাদেশেরও আর পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। একুশ শতকের এমন রণকৌশল মাথায় রেখেই ভৌগলিক অখণ্ডতা সমুন্নত রাখতে শক্ত প্রতিরোধব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে দেশটি।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুগোপযোগী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও চতুর্মাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ ভোটে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর তাঁর ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভাবনাময়, বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। এবার আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে ড্রোন উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জনেও বিশেষভাবে জোর দিয়েছে সরকার। এই বিষয়ে কৌশলগত সহায়তা বাড়াতে আগ্রহ দেখিয়েছে উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে নেতৃত্বের অবস্থানে থাকা সামরিক পরাশক্তি চীন ও সাম্প্রতিক সময়ে সমরাস্ত্র ও ড্রোন রপ্তানিতে বড় শক্তি তুরস্ক। গত এক দশকে সশস্ত্র ড্রোনের বাজারে চীনা আধিপত্য লক্ষণীয়। এই দু’বন্ধভাবাপন্ন দেশের যেকোন একটির সঙ্গে বাংলাদেশ ড্রোন উৎপাদনে অংশীদার হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

কোন দেশের নাম উল্লেখ না করলেও সম্প্রতি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন- মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) বা চলতি কথায় ড্রোন উৎপাদন কারখানা হচ্ছে দেশের উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়ায়। তিনি বলেছেন, ‘বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’ বগুড়ার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ইতোমধ্যেই অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এসবই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তর করতে সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে সব সময় গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও। সম্প্রতি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান গভীর তাৎপর্যপূর্ণ এক বার্তা দিয়েছিলেন। চলতি বছরের বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তিনি বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ করার জন্য নয়, বরং যুদ্ধ এড়ানোর জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।’ তাঁর দাবি, ‘শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।’ সেনাপ্রধানের মতে, ‘দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। চলতি বছরে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার (০৫ মে) সকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে প্রথম অধিবেশনে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ম্যানিফেস্টো অনুযায়ী, বাংলাদেশের জন্য একটি শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ করে শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনে তাদের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে আমার বিশ্বাস এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক নৌযান ও আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ক্রয়ের প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে গ্রহণ করবে। আমরা জানি, দেশের অর্থনীতি যদি একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সমর্থন করতে পারে তাহলে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়।’

একটি দেশের সামরিক বাহিনীর শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনস্বীকার্য। এককথায় স্কাই সুপিরিয়রিটি বা আকাশে যার কর্তৃত্ব থাকে যুদ্ধে এগিয়ে থাকে তাঁরাই। মাস কয়েক আগে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে যশোরের বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একাডেমিতে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনও এই বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘একটি বিশ্বাসযোগ্য এয়ার ডিফেন্স সক্ষমতা শুধু সামরিক শক্তির প্রতীক নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং জনগণের নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি।’ সেদিন বিমান বাহিনী প্রধান ভবিষ্যৎ যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

জানা যায়, দেশেই সামরিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য চীনের সঙ্গে জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনালের (সিইটিসি) মধ্যে ইউএভি ম্যানুফ্যাকচারিং ও অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী দেশেই ড্রোন উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা অর্জন করবে, যা দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে। উৎপাদিত এসব ড্রোন কেবল সামরিক কর্মকাণ্ডেই নয়, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজেও ব্যবহার করা হবে বলে ওই সময় জানিয়েছিল আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে সম্ভাব্য কারিগরি ও কৌশলগত সহায়তা বাড়াতে আগে থেকেই আগ্রহ দেখিয়েছিল তুরস্কও। ঢাকা-আঙ্কারা সম্মত হয়েছে সমরাস্ত্র বাণিজ্যে। গত মাসে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বাংলাদেশ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে দু’দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপর জোর দেন। ইউরোপ-এশিয়ার সঙ্গমস্থলের দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ‘কৌশলগত পর্যায়ে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ককে দৃঢ় ভিত্তি দিতে দু’দেশের আচরণে বড় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সামরিক বা প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশে সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে ড্রোন ও ট্যাংকসহ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন কারখানা স্থাপনে আলাপ-আলোচনা ঘনিষ্ঠ এই সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

সামরিক ড্রোন তৈরির এলিট ক্লাবে এবার আনুষ্ঠানিক নাম লেখাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বগুড়ায় এই ড্রোন কারখানা স্থাপন হলে ইউএভি উৎপাদনেও এক সময় বাংলাদেশকে স্বনির্ভরতার দিকে পরিচালিত করবে। আকাশসীমা রক্ষায় বাড়বে সামরিক সক্ষমতাও। দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পেও যা হতে যাচ্ছে বড় এক মাইলফলক। তাছাড়া দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করে গোয়েন্দা নজরদারি, সীমান্ত পর্যবেক্ষণ, কৌশলগত তথ্য সংগ্রহ ও প্রয়োজনে নির্ভুল সামরিক আঘাত হানতে সিদ্ধহস্ত এসব ড্রোন। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়েছে সামরিক ক্ষেত্রে বিশ্ব পরিমণ্ডলে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ সক্ষমতা (ক্রেডিবল ডিটারেন্স) নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ সম্ভাব্য শত্রুকে আগ্রাসনের চিন্তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করতে চায়। ড্রোন উৎপাদন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অদূর ভবিষ্যতে রপ্তানিরও সুযোগ পাবে।

বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিবিড় ও ঘনিষ্ঠ। পরিবর্তিত বিশ্বে ভূরাজনীতিতে বঙ্গপোসাগরকে ঘিরে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতের আগ্রহ বাড়ছে। বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান দেশটির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। মূল ভূখণ্ড থেকে সাগর সব জায়গাতেই বাংলাদেশের দিকে নজর বিশ্ব মোড়লদের। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমানের ভাষায়- ‘বাংলাদেশ বন্ধু ও অংশীদার চায়, কোনো প্রভু নয়।’ তবে এর অর্থ একা চলা নয়; বরং জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাই ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মূল কথা।’

সামরিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য হচ্ছে- স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ নিজস্ব কৌশলগত প্রয়োজন এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকার অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অংশীদ্বার বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে। বাংলাদেশ নিজের স্বার্থেই যেকোন শক্তিধর দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতেই পারে। আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী হলে কখনও আগ্রাসী বা আধিপত্যবাদী শক্তি যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না। তাই দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দক্ষ, যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করার কোন বিকল্প নেই। সংসদে সরকারপ্রধান তারেক রহমান একবার বলেই রেখেছেন-‘সরকারের লক্ষ্য-সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীকে এমন সক্ষমতায় উন্নীত করা, যাতে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।’ লক্ষ্যে বাস্তবায়নে বসে নেই তিনি। একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আলোকে প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন কাজে হাত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

Link copied!