× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৬:০৭ এএম

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক মাস্টারদা সূর্য সেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৬:০৭ এএম

মাস্টারদা সূর্য সেন। ছবি : সংগৃহীত

মাস্টারদা সূর্য সেন। ছবি : সংগৃহীত

মাস্টারদা সূর্য সেন ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী নেতা। তিনি ‘যুগান্তর’ দলের চট্টগ্রাম শাখার প্রধান ছিলেন এবং ১৯৩০ সালের ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের মূল সংগঠক।

১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম। বাবা রাজমনি সেন এবং মা শশীবালা দেবী। স্থানীয় দয়াময়ী বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯১২ সালে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাই স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন।

শিক্ষাজীবনের শুরুতেই তিনি জাতীয় রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া স্বদেশি আন্দোলন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে বিএ পড়ার সময় তাঁর শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তীর মাধ্যমে বিপ্লবী আদর্শে দীক্ষিত হন।

১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে তিনি বিপ্লবী ‘যুগান্তর’ দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন। আত্মগোপনে থাকার কৌশল হিসেবে তিনি একটি ন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। শিক্ষকতার সুবাদেই তিনি ‘মাস্টারদা’ নামে পরিচিত হন।

১৯২৯ সালে চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের সম্মেলনে সুভাষচন্দ্র বসুর সভাপতিত্বে সূর্যসেন সম্পাদক নির্বাচিত হন। একই বছর বিপ্লবী যতীন্দ্রনাথ দাশ লাহোর জেলে অনশনরত অবস্থায় মারা গেলে সারা বাংলায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা বিপ্লবী আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে।

প্রথমে ১৯২৯ সালের ডিসেম্বরে হামলার পরিকল্পনা করা হলেও পুলিশের তৎপরতা বাড়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ১৯৩০ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত চলে ব্যাপক প্রস্তুতি। সূর্যসেন গোপনে ইশতেহার প্রচার করে বিপ্লবের পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন।

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্য সেনের নেতৃত্বে সংঘটিত হয় সশস্ত্র বিদ্রোহ ও চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন। অস্ত্রাগার দখলের পর বিপ্লবীরা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করেন। এ সময় আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন বিপ্লবী হিমাংশু বিমল সেন। অভিযানের পর সূর্যসেন পাহাড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

১৯৩০ সালের ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম বিশেষ ট্রাইব্যুনালে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!