× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া আসন নিয়ে বিপাকে বিএনপি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

বিএনপির লোগো। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির লোগো। ছবি : সংগৃহীত

যুগপৎ শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৪টি আসন নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিএনপি। এসব আসনের অনেকগুলোতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা। ফলে শরিক দলের প্রার্থীরা এক ধরনের শঙ্কায় রয়েছেন। তবে তাদের প্রত্যাশা, বিএনপির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত মেনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে সমঝোতায় আসবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বিএনপির আলোচিত নেত্রী রুমিন ফারহানা। অথচ আসনটিতে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জুনায়েদ আল হাবীবকে। দলীয় সিদ্ধান্ত না মানায় রুমিন ফারহানাকে ইতোমধ্যে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি দলের নির্দেশ অনুযায়ী এতদিন এখানে কাজ করেছি। এখন এখান থেকে সরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আর দল তো আমাকে বহিষ্কার করেছে, সুতরাং এখানে এখন সমঝোতা হওয়ার আর কিছু নেই।’

এদিকে ঝিনাইদহ-৪ আসনেও একই ধরনের জটিলতায় পড়েছেন দল মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান। গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তিনি। সেখানে বিএনপির স্থানীয় এক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় কিছুটা বেকায়দায় আছেন রাশেদ।


রাশেদ খান বলেন, ‘একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়িয়েছেন। তার সাথে আমার সুসম্পর্ক, আমরা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের। তিনি যেহেতু মনোনয়ন পাননি, তাই স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সংক্ষুব্ধ। আমি আশাবাদী, তারেক রহমানের সাথে আলোচনা হলে এই সংকটের সমাধান হয়ে যাবে।’

একই সমস্যায় পড়েছেন ঢাকা-১২ আসনের জোট প্রার্থী ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নিজের দলীয় প্রতীক ‘কোদাল’ নিয়ে লড়ছেন।

সাইফুল হক বলেন, ‘শরিক দলের যেখানে সমঝোতা হয়েছে সেখানেও এমন অবস্থা। আবার বিএনপি যেখানে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছে, সেখানেও কিছু বিদ্রোহী প্রার্থী আছে। ফলে এটি বিএনপির জন্য এখনো কিছুটা গলার কাঁটা হয়ে আছে। আমার মনে হয় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংকটটির সমাধান হবে।’

তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কার না করে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পরামর্শ দিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ আসনের জোট প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর। তিনি বলেন, ‘বহিষ্কার না করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যদি তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানো যায়, আমরা সেই আহ্বান জানিয়েছি। যারা দাঁড়িয়েছেন, দলে তাদের ত্যাগ আছে এবং তারা মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তাদের একটা আবেগ আছে।’

শরিকদের প্রত্যাশা, বিএনপির হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপে বিদ্রোহী প্রার্থীরা দ্রুতই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে জোটের বিজয় নিশ্চিত করবেন। 
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!