× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

‘চাঁদা আর চাঁদাবাজি বুঝতে সরকারের সমস্যা হলেও জনগণ তা ভালোভাবেই বোঝে’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ চাঁদা ও চাঁদাবাজি নিয়ে পরিবহনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, কোনটি চাঁদা আর কোনটি চাঁদাবাজি—এটি বুঝতে সরকারের সমস্যা হলেও জনগণ তা ভালোভাবেই বোঝে। তিনি চাঁদাবাজদের সুরক্ষা না দিয়ে তাদের আইনের আওতায় এনে দেশকে চাঁদাবাজমুক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত দেশ গড়তে পারলে জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হবে। অন্যথায় জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত থানা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের আরও জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোকজন নিয়োগের সমালোচনা করে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, জনগণের স্বার্থে নয়, ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচনে ভূমিকা রাখার পুরস্কার হিসেবে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তড়িঘড়ি করে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে খুব দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে—এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, নির্বাচন দেওয়ার মানসিকতা থাকলে আগের প্রশাসকদের সরিয়ে আবার নতুন করে দলীয় নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতো না। সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি স্লোগান দিয়েছিল ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের কর্মকাণ্ডে বোঝা যাচ্ছে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর পরিবর্তে সরকার ‘সবার আগে দলীয় স্বার্থ’ নীতিতে হাঁটছে। তিনি আরও বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ—সবাই মিলে বাংলাদেশ’ স্লোগান বাস্তবায়ন হলে কোনো সরকারকে হেলিকপ্টারে করে পালাতে হতো না। অন্যথায় আবারও জনরোষের মুখে সরকারকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হতে পারে।

ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা মিঠুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, ওমর ফারুক, জুবায়ের আল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন চঞ্চল, কোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!